স্পোর্টস বেটিং: মাত্র ১০ টাকা থেকে বাজি দেওয়া শুরু করা যায়। একক ম্যাচে বা একাধিক ম্যাচ মিলিয়ে যেকোনো ভাবেই এই সীমা প্রযোজ্য।
লাইভ ক্যাসিনো (ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট, বাকারাত): নির্ভর করে কোন টেবিলে বসছেন তার উপর। কম বাজির টেবিলে ২০ টাকা থেকেও শুরু করা যায়, প্রিমিয়াম টেবিলে সর্বনিম্ন ২০০–৫০০ টাকাও হতে পারে।
ড্রাগন টাইগার ও অন্যান্য কার্ড গেম: সর্বনিম্ন ৫০ টাকা।
স্লট ও টার্বো গেম: প্রতি স্পিন বা রাউন্ডে ১০ টাকা থেকে শুরু।
নতুন খেলোয়াড় হিসেবে ছোট বাজি দিয়ে শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ। গেম ভালোভাবে বোঝার পরে বাজির পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
কীভাবে করবেন – ধাপে ধাপে:
১. স্পোর্টস বেটিং বিভাগে যান।
২. প্রথম ম্যাচে আপনার পছন্দের ফলাফলে ক্লিক করুন – এটা বেট স্লিপে যুক্ত হবে।
৩. এভাবে ২য়, ৩য় বা আরও বেশি ম্যাচ যোগ করুন।
৪. বেট স্লিপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে "একিউমুলেটর" মোডে চলে যাবে।
৫. বাজির পরিমাণ লিখুন এবং সম্ভাব্য জয়ের পরিমাণ দেখুন।
৬. "বেট দিন" বোতামে ক্লিক করুন।
মনে রাখবেন: একটি নির্বাচনও ভুল হলে পুরো বাজিটি হেরে যাবেন। তাই কম সংখ্যক ম্যাচ দিয়ে শুরু করা নিরাপদ। সাধারণত ২–৫টি ম্যাচের অ্যাকিউমুলেটর বেশি জনপ্রিয়।
লাইভ স্ট্রিমিং: নির্বাচিত ম্যাচে সরাসরি ভিডিও স্ট্রিম পাওয়া যায়। যে ম্যাচে স্ট্রিমিং আছে সেখানে একটি "লাইভ" বা ক্যামেরা আইকন দেখাবে। স্ট্রিমিং দেখার জন্য অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ১ টাকা ব্যালেন্স থাকা প্রয়োজন।
কোন কোন খেলা: ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, টেনিস ও বাস্কেটবলে লাইভ স্কোর পাবেন। স্ট্রিমিং মূলত বড় লিগ ও টুর্নামেন্টের ম্যাচে থাকে।
লাইভ ক্যাসিনো: লাইভ ক্যাসিনো বিভাগে গেলে Evolution Gaming ও অন্যান্য প্রদানকারীর আসল ডিলারদের সাথে সরাসরি ভিডিও স্ট্রিমে গেম খেলতে পারবেন – সেটা আলাদাভাবে সবসময় চলে।
উইথড্রয়াল সীমা:
• সর্বনিম্ন: ৩০০ টাকা প্রতি লেনদেনে।
• সর্বোচ্চ (দৈনিক): ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
• সর্বোচ্চ (মাসিক): ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
প্রসেসিং সময়:
• বিকাশ/নগদ: সাধারণত ১৫ মিনিট – ২ ঘণ্টার মধ্যে।
• ব্যাংক ট্রান্সফার: ১–৩ কার্যদিবস।
বড় উইথড্রয়ালে বাড়তি যাচাই: ১০,০০০ টাকার বেশি উইথড্রয়ালে কিছু ক্ষেত্রে KYC যাচাই করা না হলে আটকে যেতে পারে। তাই আগেই KYC সম্পন্ন রাখুন।
উইথড্রয়াল করতে অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে "উইথড্রয়াল" বেছে নিন, পদ্ধতি ও পরিমাণ দিন এবং নিশ্চিত করুন।
কীভাবে বয়স যাচাই করা হয়:
• নিবন্ধনের সময় জন্ম তারিখ সংগ্রহ করা হয়।
• KYC যাচাইয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট পরীক্ষা করা হয়।
• সন্দেহ হলে যেকোনো সময় অতিরিক্ত প্রমাণ চাওয়া হতে পারে।
যদি ভুয়া তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করা হয়: অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং সমস্ত ব্যালেন্স বাজেয়াপ্ত হবে।
অভিভাবকদের জন্য: যদি মনে করেন আপনার পরিবারের কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক সদস্য এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে, অনুগ্রহ করে সঙ্গে সঙ্গে [email protected]এ জানান। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব এবং আপনার পরিচয় গোপন রাখব।
নিজে পরিবর্তন করতে চাইলে:
১. লগইন করুন এবং "আমার অ্যাকাউন্ট" বা প্রোফাইল সেটিংসে যান।
২. "ব্যক্তিগত তথ্য" বা "যোগাযোগ তথ্য" বিভাগে মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের অপশন দেখুন।
৩. পুরোনো নম্বরে একটি OTP যাবে (যদি সেটি এখনো সক্রিয় থাকে)।
৪. OTP দিয়ে নতুন নম্বর যোগ করুন ও নতুন নম্বরেও OTP যাচাই করুন।
পুরোনো নম্বর আর সক্রিয় না থাকলে: সরাসরি সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। লাইভ চ্যাট বা ইমেইলে আপনার নাম, পুরোনো নম্বর ও NID তথ্য দিয়ে অনুরোধ করুন। পরিচয় যাচাই করার পরে সাপোর্ট টিম নম্বর আপডেট করে দেবে।
নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাপোর্টের মাধ্যমে করতে হয় এবং NID-এর সাথে মিলিয়ে যাচাই করা হয়।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
পরিচয় প্রমাণ (যেকোনো একটি):
• জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) – সামনে ও পিছনের স্পষ্ট ছবি
• পাসপোর্ট (প্রথম পাতার ছবি)
• ড্রাইভিং লাইসেন্স
ঠিকানা প্রমাণ (প্রয়োজনে):
• ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/পানি/গ্যাস) – সর্বোচ্চ ৩ মাসের পুরোনো
• ব্যাংক স্টেটমেন্ট
KYC জমা দেওয়ার পদ্ধতি:
১. অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে "যাচাইকরণ" বা "KYC" বিভাগে যান।
২. নথির ছবি আপলোড করুন (JPG/PNG, সর্বোচ্চ ৫ MB)।
৩. ছবি স্পষ্ট ও পূর্ণ দেখা যাচ্ছে কিনা নিশ্চিত করুন।
৪. জমা দিন – সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়।
যাচাই সম্পন্ন হলে ইমেইল বা SMS নোটিফিকেশন পাবেন।